আমি যার নূপুরের ছন্দ, বেণুকার সুর
কে সেই সুন্দর, কে?
আমি যার বিলাস যমুনা, বিরহ বিধুর
কে সেই সুন্দর, কে?
যাহার গলে আমি বনমালা
আমি যার কথার কুসুমডালা
না দেখা সুদূর
কে সেই সুন্দর, কে?
যার শিখীপাখা লেখনী হয়ে
গোপনে মোরে কবিতা লেখায়
সে রহে কোথায় হায়?
আমি যার বরষার আনন্দ কেকা
নৃত্যের সঙ্গিনী দামিনীরেখা
যে মম অঙ্গের কাঁকন-কেয়ূর
কে সেই সুন্দর, কে?
Wednesday, 13 June 2012
আন্মনে জল নিতে
আন্মনে জল নিতে ভাসিল গাগরী
সাঁতার জানি না, আনি কলস কেমন করি।
জানি না বলিব কি, শুধাবে যবে ননদী
কাহার কথা ভাবে পোড়া মন নিরবধি
গাগরী না ভাসিয়া ভাসিতাম আমি যদি-
কি বলিব কেন মোর ভিজিল গো ঘাগরী
একেলা কুলবধূ, পথ বিজন, নদীর বাঁকে
ডাকিল বৌ-কথা-কও কেন হলুদ চাঁপার শাখে
বিদেশে শ্যাম আমার, পড়ল মনে সেই ডাকে
ঠাঁই দে যমুনে বুকে, আমিও ডুবিয়া মরি।।
সাঁতার জানি না, আনি কলস কেমন করি।
জানি না বলিব কি, শুধাবে যবে ননদী
কাহার কথা ভাবে পোড়া মন নিরবধি
গাগরী না ভাসিয়া ভাসিতাম আমি যদি-
কি বলিব কেন মোর ভিজিল গো ঘাগরী
একেলা কুলবধূ, পথ বিজন, নদীর বাঁকে
ডাকিল বৌ-কথা-কও কেন হলুদ চাঁপার শাখে
বিদেশে শ্যাম আমার, পড়ল মনে সেই ডাকে
ঠাঁই দে যমুনে বুকে, আমিও ডুবিয়া মরি।।
অনেক ছিল বলার
অনেক ছিল বলার, যদি সেদিন ভালোবাসতে
পথ ছিল গো চলার, যদি দুদিন আগে আসতে
আজকে মহাসাগর স্রোতে চলেছি দূর পারের পথে
ঝরা পাতা হারায় যথা, সেই আঁধারে ভাসতে
যাই সেই আঁধারে ভাসতে।
গহন রাতি ডাকে আমায়, এসে তুমি আজকে
কাঁদিয়ে গেলে হায় গো আমার বিদায় বেলার সাঁঝকে
আসতে যদি হে অতিথি, ছিল যখন শুক্লা তিথি
ফুটতো চাঁপা, সেদিন যদি চৈতালী চাঁদ হাসতে।।
পথ ছিল গো চলার, যদি দুদিন আগে আসতে
আজকে মহাসাগর স্রোতে চলেছি দূর পারের পথে
ঝরা পাতা হারায় যথা, সেই আঁধারে ভাসতে
যাই সেই আঁধারে ভাসতে।
গহন রাতি ডাকে আমায়, এসে তুমি আজকে
কাঁদিয়ে গেলে হায় গো আমার বিদায় বেলার সাঁঝকে
আসতে যদি হে অতিথি, ছিল যখন শুক্লা তিথি
ফুটতো চাঁপা, সেদিন যদি চৈতালী চাঁদ হাসতে।।
যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পারনি
যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পারনি
কেন মনে রাখ তারে
ভুলে যাও তারে ভুলে যাও একেবারে
আমি গান গাহি আপনার দুখে
তুমি কেন আসি দাঁড়াও সুমুখে
আলেয়ার মত ডাকিও না আর
নিশিথ অন্ধকারে
দোয়া কর, মোরে দোয়া কর
আর আমারে লইয়া খেলোনা নিঠুর খেলা
শত কাঁদিলেঅ ফিরিবেনা
সেই শুভ লগনের বেলা
আমি ফিরি পথে, তাহে কার ক্ষতি
তব চোখে কেন সজল মিনতী
আমি কি কোনদিন এসে দাঁড়ায়েছি তব দ্বারে
ভুলে যাও মোরে ভুলে যাও একেবারে
কেন মনে রাখ তারে
ভুলে যাও তারে ভুলে যাও একেবারে
আমি গান গাহি আপনার দুখে
তুমি কেন আসি দাঁড়াও সুমুখে
আলেয়ার মত ডাকিও না আর
নিশিথ অন্ধকারে
দোয়া কর, মোরে দোয়া কর
আর আমারে লইয়া খেলোনা নিঠুর খেলা
শত কাঁদিলেঅ ফিরিবেনা
সেই শুভ লগনের বেলা
আমি ফিরি পথে, তাহে কার ক্ষতি
তব চোখে কেন সজল মিনতী
আমি কি কোনদিন এসে দাঁড়ায়েছি তব দ্বারে
ভুলে যাও মোরে ভুলে যাও একেবারে
গভীর নিশীথে ঘুম ভেঙ্গে যায়
গভীর নিশীথে ঘুম ভেঙ্গে যায়
কে যেন আমারে ডাকে
সে কি তুমি? সে কি তুমি?
সে কি তুমি?
কার স্মৃতি বুকে পাষানের মত ভার হয়ে যে থাকে
সে কি তুমি, সে কি তুমি?
কাহার ক্ষুধিত প্রেম যেন হায়
ভিক্ষা চাহিয়া কাঁদিয়া বেড়ায়
কার সকরুন আঁখি দুটি যেন রাতের মত
মুখপানে চেয়ে থাকে
সে কি তুমি? সে কি তুমি?
নিশির বাতাশ কাহার হুতাশ দীর্ঘ নিশাস সম
ঝড় তোলে এসে অন্তরে মোর
ওগো দুরন্ত মম
সে কি তুমি, সে কি তুমি
মহাসাগরের ঢেউ এর মতন
বুকে এসে বাজে কাহার রোদন
পিয়া পিয়া নাম ডাকে অবিরাম বনের পাপিয়া পাখি
আমার চম্পা- শাঁখে
সে কি তুমি? সে কি তুমি?
কে যেন আমারে ডাকে
সে কি তুমি? সে কি তুমি?
সে কি তুমি?
কার স্মৃতি বুকে পাষানের মত ভার হয়ে যে থাকে
সে কি তুমি, সে কি তুমি?
কাহার ক্ষুধিত প্রেম যেন হায়
ভিক্ষা চাহিয়া কাঁদিয়া বেড়ায়
কার সকরুন আঁখি দুটি যেন রাতের মত
মুখপানে চেয়ে থাকে
সে কি তুমি? সে কি তুমি?
নিশির বাতাশ কাহার হুতাশ দীর্ঘ নিশাস সম
ঝড় তোলে এসে অন্তরে মোর
ওগো দুরন্ত মম
সে কি তুমি, সে কি তুমি
মহাসাগরের ঢেউ এর মতন
বুকে এসে বাজে কাহার রোদন
পিয়া পিয়া নাম ডাকে অবিরাম বনের পাপিয়া পাখি
আমার চম্পা- শাঁখে
সে কি তুমি? সে কি তুমি?
Sunday, 10 June 2012
আজি মনে মনে লাগে হোরী
আজি মনে মনে লাগে হোরী
আজি বনে বনে জাগে হোরী।।
ঝাঁঝর করতাল খরতালে বাজে
বাজে কংকন চুড়ি মৃদুল আওয়াজে
লচকিয়া আসে মুচকিয়া হাসে
প্রেম-উল্লাসে শ্যামল গৌরী।।
আজি কদম্ব তমাল রঙ্গে লালে লাল
হলো কৃষ্ণ ভ্রমর ভ্রমরী
রঙ্গের উজান চলে কালো যমুনার জলে
আবীর রাঙ্গা হলো ময়ূর-ময়ূরী।।
মোর হৃদি বৃন্দাবন যেন রাঙে
রাধা শ্যাম যুগল চরণ রাগে
ও চরণ ধূলি যেন ফাগ হ’য়ে মেশে রে
অন্তরে পড়ে মোর ঝরি’।।
আজি বনে বনে জাগে হোরী।।
ঝাঁঝর করতাল খরতালে বাজে
বাজে কংকন চুড়ি মৃদুল আওয়াজে
লচকিয়া আসে মুচকিয়া হাসে
প্রেম-উল্লাসে শ্যামল গৌরী।।
আজি কদম্ব তমাল রঙ্গে লালে লাল
হলো কৃষ্ণ ভ্রমর ভ্রমরী
রঙ্গের উজান চলে কালো যমুনার জলে
আবীর রাঙ্গা হলো ময়ূর-ময়ূরী।।
মোর হৃদি বৃন্দাবন যেন রাঙে
রাধা শ্যাম যুগল চরণ রাগে
ও চরণ ধূলি যেন ফাগ হ’য়ে মেশে রে
অন্তরে পড়ে মোর ঝরি’।।
Saturday, 9 June 2012
মদির স্বপনে মম মন ভবনে জাগো
মদির স্বপনে মম মন ভবনে জাগো
চঞ্চলা বাসন্তিকা, ওগো ক্ষনিকা
ওগো ক্ষনিকা।।
মোর গগনের ঊল্কার প্রায়
চমকি ক্ষনেক চকিতে মিলায়
তোমার হাসির যুঁই কনিকা
ওগো ক্ষনিকা, ওগো ক্ষনিকা।।
পুষ্পধনু তব মন রাঙ্গানো
বঙ্কিম ভুরু হানো হানো
তোমার উতল উত্তরীয়
আমারো চোখে প্রিয় ছুঁইয়ে দিও
যৌবনের দাও রাজ- টীকা
ওগো ক্ষনিকা, ওগো ক্ষনিকা
আমি হবো ওগো আমি হবো
তোমার মালার মলিকা
ওগো ক্ষনিকা, ওগো ক্ষনিকা
চঞ্চলা বাসন্তিকা, ওগো ক্ষনিকা
ওগো ক্ষনিকা।।
মোর গগনের ঊল্কার প্রায়
চমকি ক্ষনেক চকিতে মিলায়
তোমার হাসির যুঁই কনিকা
ওগো ক্ষনিকা, ওগো ক্ষনিকা।।
পুষ্পধনু তব মন রাঙ্গানো
বঙ্কিম ভুরু হানো হানো
তোমার উতল উত্তরীয়
আমারো চোখে প্রিয় ছুঁইয়ে দিও
যৌবনের দাও রাজ- টীকা
ওগো ক্ষনিকা, ওগো ক্ষনিকা
আমি হবো ওগো আমি হবো
তোমার মালার মলিকা
ওগো ক্ষনিকা, ওগো ক্ষনিকা
Subscribe to:
Posts (Atom)