গুল-বাগিচার বুলবুলি আমি
রঙিন প্রেমের গাই গজল (হায়)
অনুরাগের লাল শারাব মোর
চক্ষে ঝলে ঝলমল (হায়)।
আমার গানের মদির ছোঁয়ায়
গোলাপ কুঁড়ির ঘুম টুটে যায়
সে গান শুনে প্রেম-দীওয়ানা
কবির আঁখি ছলছল (হায়)।
লাল শিরাজীর গেলাস হাতে
তন্নী সাকী পড়ে ঢুলে
আমার গানের মিঠা পানির
লহর বহে নহর-কুলে।
ফুটে ওঠে আনারকলি
নাচে ভ্রমর রং-পাগল (হায়)।
সে সুর শুনে দিশেহারা
ঝিমায় গগন ঝিমায় তারা
চন্দ্র জাগে তন্দ্রাহারা
বনের চোখে শিশির-জল (হায়)।।
Sunday, 20 November 2011
যাও মেঘদূত, দিও প্রিয়ার হাতে
যাও মেঘদূত,
দিও প্রিয়ার হাতে
আমার বিরহলিপি লেখা কেয়া পাতে।
আমার প্রিয়ার দীর্ঘ নিশাসে
থির হয়ে আছে মেঘ যে দেশেরই আকাশে
আমার প্রিয়ার ম্লান মুখ হেরি
ওঠে না চাঁদ আর যে দেশে রাতে
পাইবে যে দেশে কুন্তল-সুরভি বকুল ফুলে
আমার প্রিয়া কাঁদে এলায়ে কেশ সেই মেঘনা কুলে
স্বর্ণলতার সম যার ক্ষীণ করে
বারে বারে কঙ্কণ-চুড়ি খুলে পড়ে
মুকুল-বাসে যথা বরষার ফুলদল
বেদনায় মূর্চ্ছিয়া আছে আঙিনাতে।।
দিও প্রিয়ার হাতে
আমার বিরহলিপি লেখা কেয়া পাতে।
আমার প্রিয়ার দীর্ঘ নিশাসে
থির হয়ে আছে মেঘ যে দেশেরই আকাশে
আমার প্রিয়ার ম্লান মুখ হেরি
ওঠে না চাঁদ আর যে দেশে রাতে
পাইবে যে দেশে কুন্তল-সুরভি বকুল ফুলে
আমার প্রিয়া কাঁদে এলায়ে কেশ সেই মেঘনা কুলে
স্বর্ণলতার সম যার ক্ষীণ করে
বারে বারে কঙ্কণ-চুড়ি খুলে পড়ে
মুকুল-বাসে যথা বরষার ফুলদল
বেদনায় মূর্চ্ছিয়া আছে আঙিনাতে।।
নিশি ভোর হল জাগিয়া
নিশি ভোর হল জাগিয়া, পরাণ পিয়া
ডাকে পিউ কাঁহা পাপিয়া, পরাণ পিয়া।
ভুলি বুলবুলি সোহাগে, কত গুলবদনী জাগে
রাতি গুলশনে যাপিয়া, পরাণ পিয়া।
জেগে রয় জাগার সাথী
দূরে চাঁদ, শিয়রে বাতি
কাঁদি ফুলশয়ন পাতিয়া
পরাণ পিয়া।
গেয়ে গান কে কাহারে
জেগে রয় কবি এ পারে
দিলি দান কারে এ হিয়া
পরাণ পিয়া।।
ডাকে পিউ কাঁহা পাপিয়া, পরাণ পিয়া।
ভুলি বুলবুলি সোহাগে, কত গুলবদনী জাগে
রাতি গুলশনে যাপিয়া, পরাণ পিয়া।
জেগে রয় জাগার সাথী
দূরে চাঁদ, শিয়রে বাতি
কাঁদি ফুলশয়ন পাতিয়া
পরাণ পিয়া।
গেয়ে গান কে কাহারে
জেগে রয় কবি এ পারে
দিলি দান কারে এ হিয়া
পরাণ পিয়া।।
তোমারেই আমি চাহিয়াছি প্রিয়
তোমারেই আমি চাহিয়াছি প্রিয় শতরূপে শতবার
জনমে জনমে তাই চলে মোর অনন্ত অভিসার।
বনে তুমি যবে ছিলে বনফুল
গেয়েছিনু গান আমি বুলবুল
ছিলাম তোমার পূজার থালায় চন্দন ফুলহার।
তব সংগীতে আমি ছিনু সুর, নৃত্যে নূপুরছন্দ
আমি ছিনু তব অমরাবতীতে পারিজাত ফুলগন্ধ।
কত বসন্তে কত বরষায়
খুঁজেছি তোমায় তারায় তারায়
আজিও এসেছি তেমনই আশায় লয়ে স্মৃতি সম্ভার।।
জনমে জনমে তাই চলে মোর অনন্ত অভিসার।
বনে তুমি যবে ছিলে বনফুল
গেয়েছিনু গান আমি বুলবুল
ছিলাম তোমার পূজার থালায় চন্দন ফুলহার।
তব সংগীতে আমি ছিনু সুর, নৃত্যে নূপুরছন্দ
আমি ছিনু তব অমরাবতীতে পারিজাত ফুলগন্ধ।
কত বসন্তে কত বরষায়
খুঁজেছি তোমায় তারায় তারায়
আজিও এসেছি তেমনই আশায় লয়ে স্মৃতি সম্ভার।।
কত যুগ যেন দেখিনি তোমার
কত যুগ যেন দেখিনি তোমারে, দেখি নাই কতদিন
তুমি যে জীবন, তোমারে হারায়ে হয়েছিনু প্রাণহীন।
তুমি যেন বায়ু; বায়ু যবে নাহি বয়
আমি ঢুলে পড়ি আয়ু মোর নাহি রয়
তুমি যেন জল, বাঁচিতে পারিনা জল বিনা আমি মীন।
তুমি জানোনা গো তব আশ্রয় বিনা
আমি কত অসহায়
তুমি না ধরিলে আমার এ তনু বাতাসে মিশায়ে যায়।
তাই মোর দেহ লতার প্রায়
তোমারেই শুধু জড়াইতে চায়
তাই এ বিরহী তনু মোর হের
দিনে দিনে হয় ক্ষীণ।।
তুমি যে জীবন, তোমারে হারায়ে হয়েছিনু প্রাণহীন।
তুমি যেন বায়ু; বায়ু যবে নাহি বয়
আমি ঢুলে পড়ি আয়ু মোর নাহি রয়
তুমি যেন জল, বাঁচিতে পারিনা জল বিনা আমি মীন।
তুমি জানোনা গো তব আশ্রয় বিনা
আমি কত অসহায়
তুমি না ধরিলে আমার এ তনু বাতাসে মিশায়ে যায়।
তাই মোর দেহ লতার প্রায়
তোমারেই শুধু জড়াইতে চায়
তাই এ বিরহী তনু মোর হের
দিনে দিনে হয় ক্ষীণ।।
বুকে তোমায় নাইবা পেলাম
বুকে তোমায় নাইবা পেলাম রইবে আমার চোখের জলে
ওগো বধুঁ! তোমার আসন, গভীর ব্যথায় হিয়ার তলে
আসবে যখন তিমির রাতি রইবেনা কেউ জাগার সাথি
আসবে সেদিন জ্বালব বাতি, মুছব নয়ন জল আঁচলে
নাইবা হলাম প্রিয় তোমার, বন্ধু হতে দোষ কি বধুঁ
মুখের মধুর তৃষ্ণা শেষে আমি দিব বুকের মধু
আমি ভালবাসিনি ত' ভালবাসা পাবার ছলে
বাহুর পাশে প্রিয়ায় বেঁধে আমার তরে উঠবে কেঁদে
সেইতো আমার প্রিয় জয় গো,
প্রিয়, অন্তরে রই, রইনা গলে
ওগো বধুঁ! তোমার আসন, গভীর ব্যথায় হিয়ার তলে
আসবে যখন তিমির রাতি রইবেনা কেউ জাগার সাথি
আসবে সেদিন জ্বালব বাতি, মুছব নয়ন জল আঁচলে
নাইবা হলাম প্রিয় তোমার, বন্ধু হতে দোষ কি বধুঁ
মুখের মধুর তৃষ্ণা শেষে আমি দিব বুকের মধু
আমি ভালবাসিনি ত' ভালবাসা পাবার ছলে
বাহুর পাশে প্রিয়ায় বেঁধে আমার তরে উঠবে কেঁদে
সেইতো আমার প্রিয় জয় গো,
প্রিয়, অন্তরে রই, রইনা গলে
Saturday, 19 November 2011
শিউলি মালা গেঁথে ছিলাম তোমায় দেবো বলে
শিউলি মালা গেঁথে ছিলাম তোমায় দেবো বলে
না নিয়ে সে মালা নিঠুর তুমি গেলে চলে
প্রনাম করে উদ্দেসে তাই সেই মালিকা জলে ভাসাই
তোমার ঘাটে লাগে যদি নিও চরন তলে
এল শুভদিন যবে মোর দুখের রাতির শেষে
তোমার তরি গেল ভেসে সুদুর নিরুদ্দেশে
দিন ফুরাবে শিউলি ফুটার
মোর শুভদিন আসবেনা আর
ভরল বিফল পুজার থালা
নীরব চোখের জলে।।
না নিয়ে সে মালা নিঠুর তুমি গেলে চলে
প্রনাম করে উদ্দেসে তাই সেই মালিকা জলে ভাসাই
তোমার ঘাটে লাগে যদি নিও চরন তলে
এল শুভদিন যবে মোর দুখের রাতির শেষে
তোমার তরি গেল ভেসে সুদুর নিরুদ্দেশে
দিন ফুরাবে শিউলি ফুটার
মোর শুভদিন আসবেনা আর
ভরল বিফল পুজার থালা
নীরব চোখের জলে।।
Subscribe to:
Posts (Atom)